তালিবাবাদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রটি চালু হয়?

Updated: 5 months ago
  • ১৯৮০ সালে
  • ১৯৮১ সালে
  • ১৯৮২ সালে
  • ১৯৯৩ সালে
2.1k
উত্তরঃ

তালিবাবাদ উপগ্রহ ভূ - কেন্দ্রটি চালু হয় ১৯৮২ সালে।

আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে যে কেন্দ্র ব্যবহার করা হয় তাই ভূ - উপগ্রহ কেন্দ্র। বাংলাদেশের চারটি ভূ - উপগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে। সেগুলো হলো : বেদবুনিয়া, তালিবাবাদ, মহাখালী এবং সিলেট ভূ উপগ্রহ কেন্দ্র।

যোগাযোগ (Communication) হলো তথ্য, ধারণা, এবং অনুভূতি আদান-প্রদানের একটি প্রক্রিয়া, যা ব্যক্তিরা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হতে এবং বুঝতে সাহায্য করে। যোগাযোগ মৌখিক, লিখিত, দৃশ্যমান, এবং অ-মৌখিক (নন-ভার্বাল) বিভিন্ন মাধ্যমে হতে পারে। এটি ব্যক্তিগত, সামাজিক, ব্যবসায়িক এবং প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যোগাযোগের প্রকারভেদ:

১. মৌখিক যোগাযোগ (Verbal Communication):

  • মৌখিক যোগাযোগ হলো কথা বলার মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান। এটি একটি সরাসরি এবং দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যম।
  • উদাহরণ: ফোন কল, সভা, বক্তৃতা, ভিডিও কল।

২. লিখিত যোগাযোগ (Written Communication):

  • লিখিত যোগাযোগ হলো লেখার মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা। এটি তথ্য সংরক্ষণ এবং রেকর্ড রাখার একটি কার্যকর উপায়।
  • উদাহরণ: ইমেইল, চিঠি, রিপোর্ট, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট।

৩. দৃশ্যমান যোগাযোগ (Visual Communication):

  • দৃশ্যমান যোগাযোগ হলো ছবি, গ্রাফিক্স, ভিডিও, এবং চিত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ করা। এটি একটি আকর্ষণীয় এবং সহজে বোধগম্য মাধ্যম।
  • উদাহরণ: ইনফোগ্রাফিক, ভিডিও প্রেজেন্টেশন, চিত্রাঙ্কন, সাইনবোর্ড।

৪. অ- মৌখিক যোগাযোগ (Non-Verbal Communication):

  • অ-মৌখিক যোগাযোগ হলো শারীরিক ভাষা, মুখের অভিব্যক্তি, চোখের দৃষ্টি, ইশারা, এবং শরীরের অবস্থান ব্যবহার করে তথ্য প্রকাশ করা। এটি কথার পাশাপাশি বা তার পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়।
  • উদাহরণ: হাসি, করমর্দন, মাথা নাড়ানো, হাত দিয়ে ইশারা করা।

যোগাযোগের মাধ্যম:

১. প্রচলিত মাধ্যম (Traditional Media):

  • চিঠি, টেলিগ্রাম, পোস্টার, এবং মুখোমুখি কথোপকথন প্রচলিত যোগাযোগ মাধ্যমের উদাহরণ। এগুলো দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত এবং এখনও কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

২. প্রযুক্তিভিত্তিক মাধ্যম (Technology-Based Communication):

  • ইন্টারনেট, ইমেইল, সামাজিক মাধ্যম, এবং মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়।
  • উদাহরণ: হোয়াটসঅ্যাপ, ইমেইল, ফেসবুক, ভিডিও কলিং।

৩. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (Social Media):

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যক্তিদের মধ্যে যোগাযোগ, তথ্য বিনিময়, এবং মিথস্ক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
  • উদাহরণ: ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, লিঙ্কডইন।

যোগাযোগের উপাদান:

১. প্রেরক (Sender):

  • প্রেরক হলো সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, যিনি/যারা তথ্য বা মেসেজ পাঠান।

২. বার্তা (Message):

  • বার্তা হলো সেই তথ্য বা কন্টেন্ট, যা প্রেরক প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান। এটি লিখিত, মৌখিক, বা দৃশ্যমান হতে পারে।

৩. চ্যানেল (Channel):

  • চ্যানেল হলো যোগাযোগের মাধ্যম বা পদ্ধতি, যা বার্তাটি প্রেরকের কাছ থেকে প্রাপকের কাছে পৌঁছায়। উদাহরণ: ইমেইল, ফোন কল, সোশ্যাল মিডিয়া।

৪. প্রাপক (Receiver):

  • প্রাপক হলো সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, যিনি/যারা প্রেরকের পাঠানো বার্তা গ্রহণ করেন।

৫. প্রতিক্রিয়া (Feedback):

  • প্রতিক্রিয়া হলো প্রাপকের পক্ষ থেকে প্রেরককে দেওয়া প্রতিক্রিয়া, যা যোগাযোগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ করে এবং বার্তার কার্যকারিতা যাচাই করতে সহায়ক হয়।

যোগাযোগের গুরুত্ব:

১. তথ্য বিনিময়:

  • যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য, জ্ঞান, এবং ধারণা বিনিময় করা যায়, যা শিক্ষাক্ষেত্র, ব্যবসা, এবং ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ।

২. সম্পর্ক উন্নয়ন:

  • যোগাযোগ ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীর মধ্যে সম্পর্ক তৈরি এবং শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এটি বিশ্বাস, সহানুভূতি, এবং সহযোগিতাকে বৃদ্ধি করে।

৩. সমস্যা সমাধান:

  • যোগাযোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা এবং মতামত শেয়ার করা যায়। এটি একটি কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

৪. উৎপাদনশীলতা এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি:

  • কর্মক্ষেত্রে সঠিক যোগাযোগ কর্মীদের মধ্যে তথ্য বিনিময় এবং সহযোগিতা বাড়িয়ে দেয়, যা উৎপাদনশীলতা এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা:

১. ভাষাগত বাধা:

  • যোগাযোগের সময় ভাষাগত পার্থক্য একটি সমস্যা হতে পারে। বিভিন্ন ভাষা বা উপভাষা ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।

২. প্রযুক্তিগত বাধা:

  • প্রযুক্তিগত সমস্যা, যেমন ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা বা হার্ডওয়্যার ব্যর্থতা, যোগাযোগের প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে।

৩. সাংস্কৃতিক পার্থক্য:

  • বিভিন্ন সংস্কৃতি থেকে আসা মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক পার্থক্যের কারণে যোগাযোগে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।

৪. শারীরিক প্রতিবন্ধকতা:

  • শ্রবণ বা দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য যোগাযোগ জটিল হতে পারে।

সারসংক্ষেপ:

যোগাযোগ হলো একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে তথ্য, ধারণা, এবং অনুভূতি বিনিময় করা হয়। এটি মৌখিক, লিখিত, দৃশ্যমান, এবং অ-মৌখিক বিভিন্ন মাধ্যমে হতে পারে। যোগাযোগ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, এবং সমাজের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি, সমস্যার সমাধান, এবং জ্ঞান বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদিও এটি অত্যন্ত কার্যকরী, তবে এর কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে, যা সমাধান করা প্রয়োজন।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই